?সে কি ইংলিশ বোর্ড বইয়ের শব্দার্থ মনে রাখতে পারে না?
?শব্দ শিখতে বসলে কি বিরক্ত হয়ে উঠে যায়?
?কোনো সিস্টেম নেই, ধারাবাহিকভাবে শেখানো হচ্ছে না?
যদি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর হ্যাঁ হয় — তাহলে নিচের পুরো বিষয়টা আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি। দয়া করে মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
শোনুন, সোজা কথা বলছি
আপনি আপনার সন্তানকে কেন পড়াচ্ছেন? নিশ্চয়ই একটা স্বপ্ন আছে — সে বড় হয়ে কিছু একটা হবে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, জজ — অথবা সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
এই স্বপ্নটা আসলেই সম্ভব — কিন্তু শুধু তখনই, যদি সে ইংলিশে সত্যিকারের মজবুত হয়।
আর ইংলিশে মজবুত হওয়ার পথে সবচেয়ে বড় ভিত্তি হলো একটাই — শব্দার্থ।
ধ্বংসের ছবি
আপনার সন্তান হাজার গ্রামারের রুল মুখস্থ করে ফেলুক — কোনো কাজে আসবে না। সে যখন ইংরেজি প্যাসেজ পড়বে, কিছুই বুঝবে না। পরীক্ষার প্রশ্ন পড়বে, বসে থাকবে। কম্প্রিহেনশন, প্যারাগ্রাফ, লেটার — সব জায়গায় একটাই দেয়াল তার সামনে: সে শব্দ চেনে না।
গ্রামার জানা মানে ইংলিশ জানা না।
শব্দার্থ না জানলে — কোনো বই বুঝবে না, কোনো প্যাসেজ বুঝবে না, কোনো প্রশ্ন বুঝবে না। সে ইংলিশে চিরতরে দুর্বল থেকে যাবে।
আর দুর্বল ইংলিশ মানে — পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়া, ক্যারিয়ারে পিছিয়ে পড়া, জীবনে পিছিয়ে পড়া।
পাঁচটি সমস্যা
সমস্যা ১
শব্দার্থ পড়তেই চায় না
বেশিরভাগ বাচ্চার কাছে শব্দার্থ মানে বিরক্তিকর একটা কাজ। সাদা কাগজে কালো অক্ষর, শুধু মুখস্থ করো — আর কিছু নেই। তাই সে আগ্রহই পায় না। আগ্রহ না থাকলে কখনো শেখা হয় না।
সমস্যা ২
ডিকশনারি ধরিয়ে দেওয়া হয়, সীমাহীন শব্দ
বাড়িতে বলা হয়, "ডিকশনারি থেকে শব্দ মুখস্থ করো।" কিন্তু দুনিয়ার সব শব্দ মুখস্থ করা সম্ভব না। বাচ্চার দরকার তার বইয়ের শব্দগুলো — কিন্তু সেটা কোথাও গুছিয়ে নেই।
সমস্যা ৩
শিখলেও ভুলে যায়, রিভিশনের সিস্টেম নেই
আজ শিখল, কালকে ভুলে গেল। রিভিশন না দিলে শব্দার্থ মাথায় থাকে না। কিন্তু কীভাবে রিভিশন দেবে — সেটার কোনো পরিকল্পনা নেই। ফলে শেখাটাই বৃথা হয়ে যায়।
সমস্যা ৪
পড়ার কোনো রুটিন নেই
কোনোদিন ইচ্ছা হলে পড়ে, কোনোদিন হয় না। ধারাবাহিকতা নেই। রুটিন নেই। এভাবে কোনোদিন শব্দার্থ মজবুত হয় না — হওয়ার সুযোগই নেই।
সমস্যা ৫
শিখেছে কিনা পরীক্ষা করার উপায় নেই
সে আসলে শব্দার্থ শিখছে নাকি শুধু চোখ বোলাচ্ছে — অভিভাবক বুঝতে পারেন না। পরীক্ষা নেওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই, প্রশ্নও রেডি নেই।
আপনি দেখলেন সমস্যা পাঁচটি। এগুলো সিরিয়াস — এগুলো সমাধান না হলে আপনার সন্তান কখনো ইংলিশে মজবুত হবে না। চলুন দেখি প্রতিটির সমাধান।
পাঁচটি সমাধান
সমস্যা ১ → সমাধান
শব্দার্থ পড়তে চায় না
বইটি সম্পূর্ণ রঙিন ও কার্টুন ইলাস্ট্রেশন দিয়ে বানানো — ক্লাস ১–৫ এর বাচ্চাদের কথা মাথায় রেখে
পড়তে বসলে বিরক্ত না লেগে মজা লাগে
✓ ফলে: নিজে থেকেই পড়তে চায়, জোর করতে হয় না
সমস্যা ২ → সমাধান
সীমাহীন শব্দের ভিড়
শুধুমাত্র বোর্ড বইয়ের শব্দগুলো বেছে নিয়ে গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে
প্রতিদিন মাত্র ৩টি শব্দ — বাচ্চার কাছে কঠিন লাগে না
✓ ফলে: শেখা হয় নির্দিষ্ট, কাজের শব্দ — সময় নষ্ট হয় না
সমস্যা ৩ → সমাধান
রিভিশনের সিস্টেম নেই
প্রতিদিন নতুন শব্দের পাশাপাশি আগের দিনের রিভিশনও আছে
ডেমো দেখলে পুরো সিস্টেমটা বুঝতে পারবেন
✓ ফলে: শব্দ একবার শিখলে মাথায় থেকে যায়
সমস্যা ৪ → সমাধান
রুটিন নেই
শনিবার থেকে শুক্রবার — ১৩ দিনের রোডম্যাপ বেঁধে দেওয়া আছে
কোনোদিন কী করবে সব লেখা আছে, ভাবতে হয় না
✓ ফলে: পড়াটা রুটিন হয়ে যায়, ধারাবাহিকতা আসে
সমস্যা ৫ → সমাধান
পরীক্ষা নেওয়ার উপায় নেই
আলাদা অভিভাবক সহায়ক শিট দেওয়া হয়
প্রতি শুক্রবার পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর — সব রেডি করা আছে
✓ ফলে: আপনি সহজেই পরীক্ষা নিতে পারবেন, বুঝতে পারবেন সে আসলেই শিখছে
ফলাফল
✓সন্তান নিজে থেকে শব্দার্থ পড়বে — জোর লাগবে না
✓বোর্ড বইয়ের সব দরকারি শব্দ মুখস্থ হয়ে যাবে
✓প্যাসেজ পড়বে, বুঝবে — আর আটকাবে না
✓ইংলিশে আস্তে আস্তে আত্মবিশ্বাস আসবে
✓আপনি নিজেই দেখতে পাবেন সে উন্নতি করছে
এই বই / শিট কে লিখেছেন?
এই প্রশ্নটা করা দরকার। কারণ বইয়ের মান নির্ভর করে লেখকের মানের উপর।
🏆 ঢাবি বৃত্তিপ্রাপ্ত
মোঃ সাজিদ আলী আত্তারি
প্রতিষ্ঠাতা, ঢাবি বৃত্তিপ্রাপ্তের গণিত | লেখক | শিক্ষক
৯+বছরের অভিজ্ঞতা
৫টিলেখা বই
৩৪৬এর মধ্যে একজন
"বাংলাদেশের ১,৮৫,০০০+ কমার্স শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৩৪৬ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি পায় — আমি তাদের একজন।"
বাজারে অনেক বই আছে। কিন্তু একটু থামুন — সেই বইগুলো কে লিখেছেন? তাঁদের নিজের শিক্ষার পরিচয় কী? তাঁরা কাদের কাছে পড়েছেন?
এই বইটি লিখেছেন এমন একজন যিনি নিজে দেশের সেরা শিক্ষকদের কাছে সরাসরি পড়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পেয়েছেন। এবং তারপর ৯ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষার্থীদের বেসিক ঠিক করে আসছেন।
গতানুগতিক বইয়ের লেখকরা লেখেন তাত্ত্বিক জ্ঞান থেকে। এই বই লেখা হয়েছে বাস্তব শ্রেণীকক্ষের অভিজ্ঞতা থেকে।
আপনার সন্তানকে সরাসরি আমার কাছে পড়ানোর সুযোগ নাও হতে পারে। আমার ব্যাচে সীট সীমিত। কিন্তু এই বইটা তাকে দিন — পরোক্ষভাবে আমাকেই তার পাশে বসিয়ে দিন। বইয়ের প্রতিটা লাইনে আমার ৯ বছরের ক্লাসরুমের অভিজ্ঞতা আছে।
আমি যাঁদের কাছে পড়েছি — দেশসেরা শিক্ষকবৃন্দ
একজন শিক্ষকের মান অনেকটা নির্ভর করে তিনি কাদের কাছ থেকে শিখেছেন তার উপর।
🥇 শিক্ষক ১
২০০৬ সালে ঢাকা বোর্ডে ২য় স্থান অধিকারী
দেশের মেধাবীদের মধ্যে মেধাবী — এমন একজনের কাছে সরাসরি শিক্ষা লাভ করেছি। তাঁর কাছ থেকে শেখা মানে বোর্ড সেরাদের চিন্তাভঙ্গি নিজের মধ্যে ধারণ করা।
📚 শিক্ষক ২
"হিসাব বিচিত্রা" বইয়ের লেখক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশে সবচেয়ে বিখ্যাত accounting বইয়ের লেখকের কাছে সরাসরি শিখেছি।
📊 শিক্ষক ৩
আব্দুল আজিজ স্যার
সারা বাংলাদেশে পরিসংখ্যানের উপর সবচেয়ে বেশি বিক্রয় হওয়া বইয়ের লেখক — তাঁর কাছে পড়েছি। সংখ্যাকে সহজ করে উপস্থাপন করার দক্ষতা তাঁর কাছ থেকে শেখা।
📖 শিক্ষক ৪
মোজাম্মেল হক মারুফ স্যার — "Master Grammar" ও "Master Paper"-সহ ১৪টি বইয়ের লেখক
ইংরেজি ব্যাকরণের উপর ১৪টিরও বেশি বই লিখেছেন — এমন একজনের কাছে ইংরেজি শিখেছি। এই বইতে গ্রামার যেভাবে গুছিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে তাঁর প্রভাব আছে।
🌎 শিক্ষক ৫
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা, University of Mexico থেকে intern করে আমেরিকার Dallas, Texas শহরের Deloitte কোম্পানিতে Senior Consultant — তাঁর কাছে শিখেছি।
লেখক হিসেবে আমার বইয়ের তালিকা
আমি শুধু পড়াই না — শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে নিজে বই ও শিক্ষা উপকরণও লিখি।
১
ইংলিশ বেসিক শিখার ছোট্ট গুছানো বই
ক্লাস ৪–১০ এর জন্য, ১৭টি টপিক, ১৮ পৃষ্ঠায়
২
ইংলিশ নিজে থেকে বানিয়ে লেখার মৌলিক বই
ইংরেজি নিজে তৈরি করে লেখার ক্ষমতা তৈরির জন্য
৩
ছোটদের ইংলিশ বোর্ড বইয়ের শব্দার্থ
ক্লাস ১–৫ এর জন্য, রঙিন, ১৩ দিনের রোডম্যাপসহ
৪
৩ ধাপে আর্থিক বিবরণী
অ্যাকাউন্টিং বিষয়ক — Financial Statement সহজ পদ্ধতিতে
৫
গণিত বই চলমান
অধ্যায় ৩.১ সম্পন্ন — কোচিং-এর ব্যস্ততার কারণে বাকি কাজ সম্পন্ন হয়নি
🤔 একটা সৎ কথা বলি
আমি কখনো বলব না যে বাজারের অন্য বইগুলো খারাপ। হয়তো ভালো বই আছে, ভালো লেখকও আছেন।
কিন্তু আপনার কাছে আমার একটাই অনুরোধ — সিদ্ধান্তটা বুঝে শুনে নিন। যে বই দিচ্ছেন তার লেখকের পরিচয় জানুন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা জানুন। তাঁর অভিজ্ঞতা জানুন।
আমার চেয়ে better কেউ থাকলে — তাঁর বই দিন। কিন্তু যদি মনে হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত, দেশসেরা শিক্ষকদের কাছে পড়া, ৯ বছরের অভিজ্ঞ একজন শিক্ষকের বই আপনার সন্তানের কাজে লাগতে পারে — তাহলে এটাই দিন। এই দামে, এই মানের বই, এই পরিচয়ের লেখকের — বাজারে আর পাবেন না।
দাম ও অর্ডার করুন
📄 PDF Version
২০০ টাকা
সাথে সহায়ক শিট। বিকাশ করুন, স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
⭐ সেরা অপশন
📦 প্রিন্টেড
৩৮০ টাকা
+ ডেলিভারি চার্জ: ঢাকায় ৭০৳ / ঢাকার বাহিরে ১২০৳
রঙিন প্রিন্টেড কপি। হাতে পেয়ে টাকা দিন। কোনো অগ্রিম নেই।
🛡️
ঝুঁকিমুক্ত গ্যারান্টি
বই পেয়ে ২–৩ দিনের মধ্যে যদি কাজে না লাগে — সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। কুরিয়ার খরচও আমরা বহন করব। কোনো প্রশ্ন করা হবে না।
শেষ কথা
আপনার সামনে এখন দুটো পথ।
এক: কিছু না করা। সন্তান এভাবেই চলতে থাকবে — রুল মুখস্থ করবে, কিন্তু ইংলিশ বুঝবে না। দিন যাবে, পিছিয়ে পড়বে।
দুই: আজকেই একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া। মাত্র ২০০ টাকায় একটা সিস্টেম — যেটা আপনার সন্তানকে সত্যিকারের ভিত গড়ে দেবে।
সিদ্ধান্তটা এখনই নিন — পরে মনে পড়লে দেরি হয়ে যাবে।