সূত্র মুখস্থ করে কিন্তু কোন সূত্র কোথায় লাগাবে — বুঝতে পারে না
↓
পরীক্ষায় জ্যামিতির অংক দেখলেই বাদ দিয়ে যায় — ১৫ থেকে ২০ নম্বর সরাসরি চলে যায়
↓
গণিতে ভালো নম্বর আসে না — সাবজেক্টটাকেই ভয় পেতে শুরু করে
↓
বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, উচ্চতর গণিতেও একই সমস্যা — কারণ সব জায়গায় জ্যামিতি লাগে
✕ SSC-তে গণিতে খারাপ ফল। ভালো কলেজ নেই, বিজ্ঞান বিভাগ নেওয়ার স্বপ্ন শেষ। ক্যারিয়ারের অনেক দরজা আজীবনের জন্য বন্ধ।
এই পুরো ধ্বংসটা শুরু হয় একটা জায়গা থেকে — জ্যামিতির বেসিক কখনো গুছিয়ে শেখা হয়নি।
চারটি সমস্যা
সমস্যা ১
সূত্র মুখস্থ করে, কিন্তু কোনটা কোথায় লাগাবে জানে না
জ্যামিতিতে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল আছে, হেরনের সূত্র আছে, পরিসীমা আছে — সব আলাদা আলাদা জায়গায় ছড়িয়ে আছে। বাচ্চা মুখস্থ করে ঠিকই, কিন্তু পরীক্ষায় প্রশ্ন দেখে বুঝতে পারে না — এখানে কোন সূত্র দেবে। কারণ সব সূত্র এক জায়গায় গুছিয়ে কখনো দেখেনি।
সমস্যা ২
পিথাগোরাস, হেরন, বৃত্তের সূত্র — সব গুলিয়ে ফেলে
c² = a² + b² কোথায়? πr² কোথায়? A = ½ × ভূমি × উচ্চতা কোথায়? — এগুলো আলাদা আলাদাভাবে শিখেছে, কিন্তু কোন আকৃতিতে কোনটা লাগে সেটা কখনো একসাথে দেখেনি। তাই পরীক্ষায় গেলে মাথা ফাঁকা হয়ে যায়।
সমস্যা ৩
ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বৃত্ত — প্রতিটির আলাদা নিয়ম মনে থাকে না
আয়তক্ষেত্রের কর্ণের সূত্র আলাদা, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল আলাদা, ট্রাপিজিয়ামের সূত্র আলাদা — এত কিছু মনে রাখার কোনো সিস্টেম নেই তার কাছে। ফলে পরীক্ষার আগে রাতে গাদা গাদা পড়ে, পরীক্ষার হলে গেলে সব ভুলে যায়।
সমস্যা ৪
ত্রিমাত্রিক জ্যামিতি (সিলিন্ডার, শঙ্কু, গোলক) একদম বোঝে না
ক্লাস ৮–১০-এ গিয়ে সিলিন্ডার, শঙ্কু, গোলকের পৃষ্ঠতল ও আয়তনের সূত্র আসে — এগুলো দেখলেই ভয় লাগে। কারণ আগে থেকে কোনো রেফারেন্স নেই, কোথাও গুছিয়ে দেওয়া নেই।
আপনি দেখলেন চারটি সমস্যা। এগুলো সমাধান না হলে আপনার সন্তান জ্যামিতিতে কখনো ভালো করতে পারবে না। চলুন দেখি প্রতিটির সমাধান।
চারটি সমাধান
সমস্যা ১ → সমাধান
সূত্র কোথায় লাগাবে জানে না
ত্রিভুজ থেকে শুরু করে গোলক পর্যন্ত — প্রতিটি আকৃতির সব সূত্র এক জায়গায় গুছিয়ে দেওয়া
প্রতিটি সূত্রের পাশে কখন ব্যবহার করতে হয় সেটাও লেখা
✓ ফলে: প্রশ্ন দেখলেই বুঝতে পারবে — কোন সূত্র দরকার
সমস্যা ২ → সমাধান
সব সূত্র গুলিয়ে ফেলে
পিথাগোরাসের উপপাদ্য, হেরনের সূত্র, বৃত্তের সূত্র — আলাদা আলাদা সেকশনে সুন্দরভাবে সাজানো
প্রতিটি সূত্রের সাথে উদাহরণসহ সমাধান দেওয়া আছে
✓ ফলে: একবার দেখলেই মাথায় গেঁথে যায়, পরীক্ষায় গিয়ে ভোলে না
সমস্যা ৩ → সমাধান
আলাদা আলাদা নিয়ম মনে থাকে না
আয়তক্ষেত্র, বর্গক্ষেত্র, সামান্তরিক, ট্রাপিজিয়াম, রম্বস — প্রতিটির ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা আলাদা করে দেওয়া
বহুভুজের অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টি, কর্ণ সংখ্যা — সব এক শিটে
✓ ফলে: পরীক্ষার আগে একবার দেখলেই যথেষ্ট — বারবার বই ঘাঁটতে হয় না
সমস্যা ৪ → সমাধান
ত্রিমাত্রিক জ্যামিতি বোঝে না
সিলিন্ডার, শঙ্কু, গোলক — পৃষ্ঠতল ও আয়তনের সব সূত্র একসাথে
তির্যক উচ্চতা, বক্র পৃষ্ঠ, সম্পূর্ণ পৃষ্ঠতল — আলাদাভাবে গুছিয়ে দেওয়া
✓ ফলে: ক্লাস ৮–১০-এর কঠিন অংকগুলোও সহজ লাগবে
শিটে কী কী আছে
সম্পূর্ণ জ্যামিতি — এক রেফারেন্স শিটে, ক্লাস ৬–১০:
বাজারে অনেক বই আছে। কিন্তু একটু থামুন — সেই বইগুলো কে লিখেছেন? তাঁদের নিজের শিক্ষার পরিচয় কী? তাঁরা কাদের কাছে পড়েছেন?
এই বইটি লিখেছেন এমন একজন যিনি নিজে দেশের সেরা শিক্ষকদের কাছে সরাসরি পড়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পেয়েছেন। এবং তারপর ৯ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষার্থীদের বেসিক ঠিক করে আসছেন।
গতানুগতিক বইয়ের লেখকরা লেখেন তাত্ত্বিক জ্ঞান থেকে। এই বই লেখা হয়েছে বাস্তব শ্রেণীকক্ষের অভিজ্ঞতা থেকে।
আপনার সন্তানকে সরাসরি আমার কাছে পড়ানোর সুযোগ নাও হতে পারে। আমার ব্যাচে সীট সীমিত। কিন্তু এই বইটা তাকে দিন — পরোক্ষভাবে আমাকেই তার পাশে বসিয়ে দিন। বইয়ের প্রতিটা লাইনে আমার ৯ বছরের ক্লাসরুমের অভিজ্ঞতা আছে।
আমি যাঁদের কাছে পড়েছি — দেশসেরা শিক্ষকবৃন্দ
একজন শিক্ষকের মান অনেকটা নির্ভর করে তিনি কাদের কাছ থেকে শিখেছেন তার উপর।
🥇 শিক্ষক ১
২০০৬ সালে ঢাকা বোর্ডে ২য় স্থান অধিকারী
দেশের মেধাবীদের মধ্যে মেধাবী — এমন একজনের কাছে সরাসরি শিক্ষা লাভ করেছি। তাঁর কাছ থেকে শেখা মানে বোর্ড সেরাদের চিন্তাভঙ্গি নিজের মধ্যে ধারণ করা।
📚 শিক্ষক ২
"হিসাব বিচিত্রা" বইয়ের লেখক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশে সবচেয়ে বিখ্যাত accounting বইয়ের লেখকের কাছে সরাসরি শিখেছি।
📊 শিক্ষক ৩
আব্দুল আজিজ স্যার
সারা বাংলাদেশে পরিসংখ্যানের উপর সবচেয়ে বেশি বিক্রয় হওয়া বইয়ের লেখক — তাঁর কাছে পড়েছি। সংখ্যাকে সহজ করে উপস্থাপন করার দক্ষতা তাঁর কাছ থেকে শেখা।
📖 শিক্ষক ৪
মোজাম্মেল হক মারুফ স্যার — "Master Grammar" ও "Master Paper"-সহ ১৪টি বইয়ের লেখক
ইংরেজি ব্যাকরণের উপর ১৪টিরও বেশি বই লিখেছেন — এমন একজনের কাছে ইংরেজি শিখেছি। এই বইতে গ্রামার যেভাবে গুছিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে তাঁর প্রভাব আছে।
🌎 শিক্ষক ৫
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা, University of Mexico থেকে intern করে আমেরিকার Dallas, Texas শহরের Deloitte কোম্পানিতে Senior Consultant — তাঁর কাছে শিখেছি।
লেখক হিসেবে আমার বইয়ের তালিকা
আমি শুধু পড়াই না — শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে নিজে বই ও শিক্ষা উপকরণও লিখি।
১
ইংলিশ বেসিক শিখার ছোট্ট গুছানো বই
ক্লাস ৪–১০ এর জন্য, ১৭টি টপিক, ১৮ পৃষ্ঠায়
২
ইংলিশ নিজে থেকে বানিয়ে লেখার মৌলিক বই
ইংরেজি নিজে তৈরি করে লেখার ক্ষমতা তৈরির জন্য
৩
ছোটদের ইংলিশ বোর্ড বইয়ের শব্দার্থ
ক্লাস ১–৫ এর জন্য, রঙিন, ১৩ দিনের রোডম্যাপসহ
৪
৩ ধাপে আর্থিক বিবরণী
অ্যাকাউন্টিং বিষয়ক — Financial Statement সহজ পদ্ধতিতে
৫
গণিত বই চলমান
অধ্যায় ৩.১ সম্পন্ন — কোচিং-এর ব্যস্ততার কারণে বাকি কাজ সম্পন্ন হয়নি
🤔 একটা সৎ কথা বলি
আমি কখনো বলব না যে বাজারের অন্য বইগুলো খারাপ। হয়তো ভালো বই আছে, ভালো লেখকও আছেন।
কিন্তু আপনার কাছে আমার একটাই অনুরোধ — সিদ্ধান্তটা বুঝে শুনে নিন। যে বই দিচ্ছেন তার লেখকের পরিচয় জানুন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা জানুন। তাঁর অভিজ্ঞতা জানুন।
আমার চেয়ে better কেউ থাকলে — তাঁর বই দিন। কিন্তু যদি মনে হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত, দেশসেরা শিক্ষকদের কাছে পড়া, ৯ বছরের অভিজ্ঞ একজন শিক্ষকের বই আপনার সন্তানের কাজে লাগতে পারে — তাহলে এটাই দিন। এই দামে, এই মানের বই, এই পরিচয়ের লেখকের — বাজারে আর পাবেন না।
দাম ও অর্ডার করুন
📄 PDF Version
১০০ টাকা
প্রিন্ট করে দেয়ালে লাগানো যাবে। বিকাশ করুন, পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
⭐ সেরা অপশন
📦 প্রিন্টেড
২০০ টাকা
+ ডেলিভারি চার্জ: ঢাকায় ৭০৳ / ঢাকার বাহিরে ১২০৳
রঙিন প্রিন্টেড শিট। হাতে পেয়ে টাকা দিন।
🛡️
ঝুঁকিমুক্ত গ্যারান্টি
শিট পেয়ে ২–৩ দিনের মধ্যে যদি কাজে না লাগে — সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। কুরিয়ার খরচও আমরা বহন করব। কোনো প্রশ্ন করা হবে না।
শেষ কথা
আপনার সামনে এখন দুটো পথ।
এক: কিছু না করা। সন্তান এভাবেই চলতে থাকবে — জ্যামিতি দেখলেই ভয় পাবে, সূত্র গুলিয়ে ফেলবে, পরীক্ষায় অংক বাদ দিয়ে যাবে। নম্বর কমবে, আত্মবিশ্বাস কমবে। ক্লাস বাড়বে, সমস্যাও বাড়বে।
দুই: আজকেই একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া। মাত্র ২০০ টাকায় এমন একটা রেফারেন্স শিট — যেটা আপনার সন্তানের জ্যামিতির ভয়টা একবারের জন্য সরিয়ে দেবে।
সিদ্ধান্তটা এখনই নিন — পরে মনে পড়লে দেরি হয়ে যাবে।